যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সফরের গোপন তথ্য ফাঁসের দায়ে তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যান্সের ব্যক্তিগত সফরের নানা সিদ্ধান্তে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা রীতিমতো ‘বিরক্ত’ হয়ে উঠেছিলেন। ওই কর্মী মূলত এমএস নাউ-এর কাছে এই তথ্যটিই ফাঁস করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ক বিভাগ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে অভিযুক্ত ওই এজেন্টের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক নাকি ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ফাঁস হওয়া তথ্যে জানা যায়, একবার গলফ শেখার জন্য শিশুসন্তানকে নিয়ে ‘মেরিন টু’ হেলিকপ্টারে করে ওয়াশিংটন ঘোরার আবদার করেছিলেন ভ্যান্স। খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেটি বাতিল হলেও এমন প্রস্তাবে হতবাক হয়েছিলেন এজেন্টরা। এছাড়া নতুন বাড়ি খোঁজার জন্য স্ত্রী উষা ভ্যান্সকে নিয়ে তিনি একাধিকবার ওই হেলিকপ্টারে করে ভার্জিনিয়ার মিডলবার্গে গেছেন। অথচ পেন্টাগনের হিসাবমতে, হোয়াইট হাউসের সামরিক শাখার অনুমোদনে চলা এই হেলিকপ্টার ওড়াতে করদাতাদের প্রতি ঘণ্টায় ১৬ হাজার থেকে ২৪ হাজার ৬০০ ডলার পর্যন্ত খরচ হয়।
তবে কোনো ধরনের অনিয়মের কথা অস্বীকার করেছেন ভ্যান্সের এক মুখপাত্র। তিনি জানান, সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের সেবায় তারা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।
এদিকে, অনুমতি ছাড়া সংবাদমাধ্যমে তথ্য ফাঁসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। চলতি মাসেই নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে নিউইয়র্ক টাইমসের কয়েকজন সাংবাদিককে তলব করা হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, তাদের লক্ষ্য সাংবাদিকরা নয়, বরং যারা তথ্য ফাঁস করছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা।

