সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনে জামায়াতের প্রস্তাবের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবান্তর এবং এতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
রবিবার নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অন্তরায় এবং এটি সংশোধন হওয়া দরকার– সাংবাদিকরা এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, “এটা পরের চ্যাপ্টার। সংসদ যদি বিবেচনা করে সবাই মিলে, এটা হতে পারে। এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে এই প্রশ্নটা অবান্তর এবং কনফিউশন সৃষ্টি করার মতো।”
তিনি আরও বলেন, “এটা নির্বাচনে বড় বাধা নয়। আমাদের প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ী পথ চলতে হবে। সেই সংবিধানে আমার যেখানে বাধা আছে সেই বাধা অতিক্রম করার জন্য আমাকে সংসদ থেকে সংশোধন করতে হবে, এর বাইরে না। রাস্তাঘাটে বলে লাভ নেই।”
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ তারিখ। এই মাসের ১৩ তারিখে আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি বিএনপির পক্ষ থেকে। আজকে বাছাই পর্ব ছিল। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা প্রার্থী ঘোষণা করেছিলাম আমাদের দলের অর্থাৎ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এর প্রস্তাবক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং শিক্ষাবিদ ড. আব্দুল মঈন খান। সমর্থনকারী হিসেবে ছিলাম আমি।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আপনাদের আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষিত হয়েছেন। এখন আমরা অপেক্ষায় থাকব ২০ তারিখের নির্বাচনের জন্য।

