প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির গত ১০ সেপ্টেম্বর বলেছিলেন, “(প্রধানমন্ত্রী) কীভাবে ভারতে যাবেন? বাংলাদেশ সরকারের কাউকে কী আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।”
তার এ বক্তব্যের জবাবে ভারত দাবি করেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আর, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। জবাবে তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। পরবর্তীতে তাকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি দুটি আমন্ত্রণ পেয়েছেন। একটি হলো দ্বিপাক্ষিক সফর, আরেকটি ব্রিকস সম্মেলনের জন্য।”
বাংলাদেশ ব্রিকসের কোনো সদস্য বা সহযোগী নয়। ভারত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
গত ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের সম্মেলন হয়। এতে সদস্য দেশগুলোর প্রধানরা ছাড়াও আমন্ত্রিত অন্য দেশগুলোর অতিথিরা ছিলেন।
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এরআগে বলেছিল, গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তারেক রহমানকে স্ত্রী ও সন্তানসহ দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

