চলতি সপ্তাহে ইরাক থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিদায় নেওয়ার কথা। এর ঠিক আগেই ইরাকের আকাশে কোনো ‘শত্রু’ বিমান দেখলে তা ভূপাতিত করার বার্তা দিয়েছে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ। একই সময়ে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওয়াশিংটনের বার্তার বদলে মধ্যস্থতাকারীর ওপর ভরসা রাখছে ইরান।
আগামী বুধবারের মধ্যেই ইরাকে মার্কিন মিশন শেষ হওয়ার কথা। উত্তর ইরাকের এরবিল ঘাঁটি থেকে তারা সেনা সরাতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় হিজবুল্লাহ কর্মকর্তা আবু মুজাহিদ আল-আসফ বলেছেন, প্রথমে তারা সতর্ক করবে, এরপর বিমান ভূপাতিত করবে।
বৃহস্পতিবারের পর ইরানের ওপর থেকে ‘বিমান অবরোধ’ তুলে নিতে বাগদাদের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি। অন্যথায় সীমান্ত বন্ধের কথাও বলা হয়েছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে গত শুক্রবার ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় ইরাক। ২০০০ সালের দশকে গঠিত এই হিজবুল্লাহ মূলত শিয়া মিলিশিয়া সংগঠন ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’-এর অংশ।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর জন্য সাত দিনের পরিকল্পনা করেছে তেহরান। এ বিষয়ে মার্কিন উত্তরের জন্য তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প বা মার্ক রুবিওর কথার ওপর নির্ভর করছে না। ইরানের সাবেক কূটনীতিক হাদি আফকাহি আল জাজিরাকে জানান, নিউইয়র্কে থাকা ইরানি দলের সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন একজন মধ্যস্থতাকারী। বাইরে ভিন্ন কথা হলেও ভেতরে ভেতরে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। ইরান চায় আলোচনাটি বাতিল না হয়ে পিছিয়ে যাক। এটি নিউইয়র্ক থেকে সরে আরব বা ইউরোপের কোনো দেশে হতে পারে বলেও তেহরান আশা করছে। তবে নিজেদের দাবিতে তারা এখনও অটল রয়েছে।

