ইন্দোনেশিয়ায় একটি যাত্রীবাহী ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তবে ঠিক সময়ে উদ্ধারকারী বাহিনী পৌঁছে যাওয়ায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকালের দিকে ঘটেছে এ ঘটনা।
এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, শতাধিক যাত্রী নিয়ে ফেরিটি ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালি থেকে পার্শ্ববর্তী দ্বীপ লম্বকের দিকে রওনা হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই ফেরিটিতে আগুন লাগে।
সরকারি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থার লম্বক দ্বীপ শাখার প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ হরিয়াদি ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল মেট্রো টিভিকে বলেন, “সৌভাগ্যবশত ফেরিতে আগুন লাগার অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন। তারা ফেরির যাত্রীদের উদ্ধার করে ৩টি নৌযানে স্থানান্তর করেন।”
মুহম্মদ হরিয়াদি জানান, উদ্ধারকারী জাহাজগুলোর প্রথমটিতে ৩০ জন, দ্বিতীয়টিতে ৫৯ জন এবং তৃতীয়টিতে ১৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে লম্বকে নিয়ে এসেছে।
তবে হরিয়াদি জানিয়েছেন, আগুন লাগার সময় ফেরিটিতে কতজন যাত্রী ছিল, সেই সংখ্যা তাদের কাছে নেই। ফলে ফেরিটির সব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে কি-না, সে ব্যাপারেও এখনও নিশ্চিত নন তিনি।
মেট্রো টিভিকে এই কর্মকর্তা বলেন, “উদ্ধারকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে তারা যাওয়ার আগে কিছু হয়েছে কি-না, সে তথ্য এখনও আমাদের হাতে আসেনি।”
ঘটনাস্থলে বেশ কিছুক্ষণ উদ্ধারকারী বাহিনীর নৌযান ও হেলিকপ্টার টহল দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুহাম্মদ হরিয়াদি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি দুর্ঘটনা বিরল নয়। মাত্র ৫ দিন আগে, ৭ আগস্ট শুক্রবার জাভা দ্বীপে ফেরুতে আগুন লেগে ৫ জন নিহত হয়েছিলেন। তার আগে সেলায়ার দ্বীপের কাছে একটি ফেরি ডুবিতে নিহত হয়েছিলেন ৭০ জন।
১৭ হাজার দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত দেশ ইন্দোনেশিয়া নৌ-যোগাযোগের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। মূলত নিরাপত্তাগত নিম্নমান ও আবহাওয়াগত কারণেই দেশটিতে ফেরি দুর্ঘটনা ঘটে।
সূত্র : ফার্স্টপোস্ট

