কে.এম.জাকির,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার প্রতিটি বাজারে বইছে উৎসবের আমেজ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটার ধুম। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে রৌমারীর প্রধান প্রধান মার্কেটগুলোতে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
সরজমিনে দেখা গেছে চিত্র: উপজেলার হাজী মার্কেট, দোহা মার্কেট, সর্দার মার্কেট, মোস্তফা মার্কেট, রমিজ সুপার মার্কেট, মন্ত্রী মার্কেট এবং পৌর মার্কেটসহ ছোট-বড় সকল বিপণিবিতানে এখন ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি। জামাকাপড় থেকে শুরু করে জুতা, কসমেটিকস ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকানগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই। ব্যবসায়ীরা যেন দম ফেলার সময় পাচ্ছেন না।
দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারা: শুধুমাত্র রৌমারী সদর নয়, কেনাকাটা করতে এখন দাঁতভাঙ্গা, কর্তিমারি, রাজিবপুর, চরশৌলমারি ও ঘুঘুমারি সহ বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ক্রেতারা রৌমারীতে আসছেন। রাজিবপুর থেকে আসা ক্রেতা মো. মনির হোসাইন বলেন, "রৌমারীতে তুলনামূলক সস্তায় অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের জামাকাপড় পাওয়া যায়। তাই এখান থেকে কেনাকাটা করে আমরা তৃপ্তি পাই।"
একই কথা জানালেন আরেক ক্রেতা শান্তা সরকার। তিনি বলেন, "রৌমারীর মার্কেটগুলোতে সবসময় আপডেট কালেকশন থাকে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাকের জন্য আমাদের অন্য কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।"
ব্যবসায়ীদের সন্তুষ্টি: ক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতিতে খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। রৌমারীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জোবাইদুল ইসলাম বলেন, "বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের ব্যবসার পরিস্থিতি বেশ ভালো। অন্যবারের চেয়ে এবার ক্রেতাদের আনাগোনা অনেক বেশি এবং বিক্রিও আশানুরূপ হচ্ছে।" রৌমারীর এই বাণিজ্যিক ব্যস্ততা প্রমাণ করে এটি এখন এই অঞ্চলের একটি প্রধান ব্যবসায়িক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রশাসন ও বাজার কমিটির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকায় ক্রেতারা নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারছেন। উৎসবের এই কেনাকাটা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।