আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে আজ। এতে মোট ৫৩টি আবেদন জমা পড়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্মসচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বিএনপি জোট থেকে ৩৬টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট থেকে ১৩টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এ ছাড়া, স্বতন্ত্র জোট থেকে সুলতানা জেসমিন নামে একজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দল বা জোটের বাইরে স্বতন্ত্রভাবে আবেদন করেছেন আরও তিন প্রার্থী। তারা হলেন শাম্মা আক্তার, মোসাম্মদ মেহরুন্নেসা ও মাহবুবা রহমান।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ ও ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। এর মধ্যে ২২ এপ্রিল বিকেল ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এবং ২৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
তাছাড়া, যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করা যাবে এবং আপিল নিষ্পত্তির জন্য ২৭ ও ২৮ এপ্রিল সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। চূড়ান্তভাবে ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা এবং সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো.মঈন উদ্দিন খান বলেন, “সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও জাতীয় নির্বাচনের মতোই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) যেসব বিধান রয়েছে, সে অনুযায়ী যাচাই-বাছাইকালে নথিপত্র দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অবসর বা পদত্যাগের পর কতদিন পার হতে হবে, সেটিও আরপিও অনুযায়ী নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

