ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিরা দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেছেন। আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) দীর্ঘ দুই ঘণ্টা তাদের মধ্যে বৈঠক হয়।
সেখানে নিজেদের দাবি-দাওয়া লিখিতভাবে জানিয়ে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এটির একটি কপি প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, সিজেপি তিনটি দাবির কথা বলেছে। যেগুলো নিয়ে তারা কোনো ছাড়ই দেবে না। যারমধ্যে একটি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে। এছাড়া মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
অপরদিকে ভারত সরকার, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের প্রধান এবং দিল্লি পুলিশ প্রধানকে ক্ষমা চাইতে হবে।
সিজেপি বলেছে, যদি তাদের দাবিগুলো দ্রুত সময়ে না মানা হয় তাহলে বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সিজেপির চিঠিটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো—
যন্তর মন্তরে চলমান সিজেপির বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে এই চিঠি। সরকার যে একটি পরস্পরের জন্য কল্যাণকর সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী, তা আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।
গত কয়েক দিনে আমরা দেশজুড়ে আমাদের সমর্থক, সদস্য এবং যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সর্বসম্মতিক্রমে আমরা এই স্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, আমাদের মূল দাবিগুলো—যেমন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া মানতেই হবে।
পাশাপাশি ভারত সরকার, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের প্রধান এবং দিল্লি পুলিশের কমিশনারকে প্রকাশ্যে সেইসব শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, যাদের ওপর তাদের বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে।
আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের এই দাবিগুলো যেন অতি দ্রুত মেনে নেওয়া হয়। অন্যথায় এই আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে এবং পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়বে।
এছাড়া, পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে আমাদের দেওয়া ৫ দফা দাবির বিষয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া আশা করছি। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে এই দাবিসনদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: এনডিটিভি

