চীন সীমান্ত বন্ধ ঘোষণা করায় নেপালের ব্যবসায়ীরা বড় ধরণের বিপাকে পড়েছেন। ভূমিধসের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে চীন অনির্দিষ্টকালের জন্য তাতোপানি সীমান্ত দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে সম্প্রতি রাসুয়াগাড়ির তিমুরে সীমান্ত পয়েন্টে ভয়াবহ বন্যায় সরকারি কার্যালয় ও অবকাঠামো ভেসে যাওয়ার পর এবার তাতোপানিও বন্ধ হয়ে গেল। ফলে আসন্ন প্রধান উৎসবের মৌসুম সামনে রেখে নেপালের সামনে চীন থেকে পণ্য আনার একমাত্র সচল স্থলপথ হিসেবে অবশিষ্ট রয়েছে মুস্তাংয়ের কোরালা সীমান্ত পয়েন্ট।
এর আগে আগস্টের শুরুতে আরানিকো মহাসড়কে একের পর এক ভূমিধসের কারণে প্রায় তিন সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে তাতোপানি সীমান্ত দিয়ে সীমিত পরিসরে পণ্য পরিবহন চালু করা হয়েছিল। তবে সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। মাত্র ১০ দিনের মাথায় চীনের জ্যাংমু অংশের প্রশাসন নিরাপত্তার অজুহাতে পুনরায় এই সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
তিব্বতের লাসায় নিযুক্ত নেপালের কনসাল জেনারেল লক্ষ্মী নিরৌলা জানান, নেপাল অংশের লিপিং এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় চীন সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যিক ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লিপিংয়ের ভূমিধসের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত বাণিজ্য কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে সোমবার চীনের পক্ষ থেকে নেপাল কাস্টমসকে ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয়।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

