যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দেশের যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি, মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে সচেতন করার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি জেলায় জনসচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজন করা হয়ে থাকে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এদিনের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত যুব সংগঠনের মাধ্যমে যুব ও যুব নারীদের মোবাইল আসক্তি, মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করা হয়ে থাকে। যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদক সেবন হতে দূরে রেখে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের মাধ্যমে ১-৬ মাস মেয়াদি পোশাক তৈরি, ব্লক-বাটিক, মৎস্যচাষ, মডার্ন অফিস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন কোর্স, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজওয়্যারিং, ইলেকট্রনিক্স, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং, মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে।
আমিনুল হক বলেন, আবাসিক যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্যচাষ ও এগুলোর প্রাথমিক চিকিৎসা এবং কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়াও প্রতিটি জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সব উপজেলার বেকার যুব ও যুবনারীদের দক্ষতাবৃদ্ধি ও আত্মকর্মী হওয়ার লক্ষ্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে অপ্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদক সেবন হতে দূরে রেখে তাদের কর্মসংস্থানের জন্য ১৮০ দিনের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকল্প/কর্মসূচি প্রণয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

