যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে সেই প্লেয়ারদের কাছে এবং আমি বাফুফের কাছেও প্রশ্নটা রাখব, যেখানে আমরা খেলোয়াড়দেরকে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ ক্রীড়াভাতা প্রদান করছি, সরকার তাদের মাসিক ভাতা দিচ্ছে, তো সেই ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের খেপ খেলতে যাওয়াটা কতটুকু সমীচীন হয়েছে এবং দেশের প্রতি যে একটু আগে বলছিলাম যে কমিটমেন্টের অভাব, যে তার নিজের প্রতি যে কমিটমেন্টের অভাব সেটার কিন্তু বহিঃপ্রকাশ ইতিমধ্যে পেয়েছি।
জাতীয় দলের ফুটবলারদের অনেকেই সরকারের কাছ থেকে ভাতা পাচ্ছেন। তারপরও অনেকে স্থানীয় পর্যায়ের খেপ খেলছেন। এ কারণেই তাদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সম্প্রতি জাতীয় দলের কয়েকজন ফুটবলারের বিভিন্ন এলাকার খেপ ম্যাচে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি ব্যস্ততার কারণে এখন পর্যন্ত আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সাথে কথা বলতে পারিনি, তবে আমি দ্রুতই তার সাথে হয়তোবা দু-এক দিনের ভেতরে কথা বলব যে যেই খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেপ খেলেছে, সেই বিষয় নজরে এনে তাদেরকে সতর্ক করা, আমরা প্রথম অবস্থায় সতর্ক করতে চাই, তারপর আমরা হয়তোবা ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করব।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি ব্যস্ততার কারণে এখন পর্যন্ত আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সাথে কথা বলতে পারিনি, তবে আমি দ্রুতই তার সাথে হয়তোবা দু-এক দিনের ভেতরে কথা বলব যে যেই খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেপ খেলেছে, সেই বিষয় নজরে এনে তাদেরকে সতর্ক করা, আমরা প্রথম অবস্থায় সতর্ক করতে চাই, তারপর আমরা হয়তোবা ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করব।

