ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গাজার বিভিন্ন এলাকায় স্কুলে ফিরেছে শিক্ষার্থীরা। তবে শ্রেণিকক্ষে ফেরার আনন্দের সঙ্গে তাদের মধ্যে কাজ করছে নতুন করে হামলার আতঙ্ক।
গাজা গ্রেট মাইন্ডস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ আবু রিজিক আলজাজিরাকে বলেন, স্কুলে ফেরার সময় অনেক শিশুর মুখেই আনন্দের ছাপ দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু কাছাকাছি এলাকায় ইসরায়েলি হামলার শব্দ শোনার পর সেই পরিস্থিতি বদলে যায়।
গাজা সিটির একটি স্কুল থেকে কথা বলার সময় তিনি বলেন, হামলার শব্দে শিক্ষার্থীদের মুখের হাসি মুহূর্তেই ভয়ে পরিণত হয়।
আবু রিজিক বলেন, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় সন্তানদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে গাজার অভিভাবকদের উদ্বেগ এখনো কাটেনি। তারপরও নতুন শিক্ষাবর্ষ আগের বছরগুলোর তুলনায় ভালো হবে বলে আশা করছেন তারা।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ৪ লাখ ২০ হাজারের বেশি শিশু শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। এ ছাড়া গাজার প্রায় ৯৮ শতাংশ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আবু রিজিক বলেন, গাজার অন্য শিক্ষকদের মতো তিনিও চান, শিক্ষাবর্ষের এই দিনটি যেন কোনো শিশু বা শিক্ষার্থীকে হারানোর খবর ছাড়াই শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের কয়েকটি শহর ও এলাকায় অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় তারা ‘গ্যাস বোমা’ ছোড়ে।
আলজাজিরার হাতে আসা একটি ভিডিওতে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-ইসাওয়িয়া এলাকায় আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে। ফিলিস্তিনি সূত্রগুলোর দাবি, ইসরায়েলি বাহিনী ‘গ্যাস বোমা’ ছোড়ার পর সেখানে আগুন ও ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়।
এছাড়া অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের উত্তরে কাফর আকাব এলাকায়ও ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালিয়েছে বলে ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা

