ঝাড়খন্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে বিধানসভা ঘিরে আন্দোলন করা চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
ইন্ডিয়া জোটের শরিক দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) শাসিত রাজ্যে এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি রাহুল গান্ধীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরই তিনি এই বিষয়ে মুখ খুললেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানান, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং কেবল আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব। ঝাড়খণ্ড সরকারের উচিত অবিলম্বে এই শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনা এবং তাদের সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করা।
ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিসি) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (জেএসএসসি)-এর নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে বিগত ১৭ দিন ধরে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ৫১তম জন্মদিনের দিনে পুরোনো বিধানসভা ভবন প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভকারীরা ‘বিধানসভা ঘেরাও’ কর্মসূচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
আন্দোলনকারীরা পুলিশের তৈরি করা ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভা চত্বরের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের ওপর চড়াও হয়। টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ, জলকামান ও বেপরোয়া লাঠিচার্জের কারণে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন। এই মিছিলে গত নয় দিন ধরে অনশনরত ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চার নেতা দেবেন্দ্র নাথ মাহাতো অ্যাম্বুলেন্সে করে এসে যোগ দেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকার এ পর্যন্ত মাত্র ৩টি বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিলের আশ্বাস দিলেও বাকি ১০টি পরীক্ষা বাতিলের দাবি অস্বীকার করায় এই আলোচনার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

