পায়ের মাংসপেশীর ইনজুরিতে মরক্কোর বিপক্সে ব্রাজিলের স্কোয়াডে ছিলেন না নেইমার। হাইতির বিপক্ষে তার ফেরা প্রায় নিশ্চিত। সোমবার থেকে ১০ নম্বর জার্সিধারী জাতীয় দলের ক্যাম্পে অনুশীলন শুরু করবেন।
ক্যারিয়ারের চতু্র্থ বিশ্বকাপে দলের প্রথম ম্যাচের স্কোয়াডে না থাকলেও নেইমার তার ‘মগজাস্ত্র’ ব্যবহার করেছেন। যার সুফল পেয়েছে ব্রাজিল। ১-১ গোলে ড্র হওয়ার ম্যাচটি যে তারা হারেনি, তার কৃতিত্ব নেইমারকে দেওয়া যায়।
এদিন বদলি খেলোয়াড়দের বেঞ্চ থেকে উঠে এসে সতীর্থদের পরামর্শ দিয়েছেন নেইমার। সহকারী কোচের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারি গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন।
কিন্তু ৩২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র গোল শোধ করেন। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস ধরে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন ভিনি। মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসির বোনো কিছু বোঝার আগেই ডান পায়ের অনবদ্য কার্লারে বল জালে জড়িয়ে দেন। ওই গোলটি না হলে ফল কী হতো, তা না বললেও চলে।
আর এর নেপথ্যে রয়েছে নেইমারের ‘পরামর্শ।’ কেমন? নেইমার ছিলেন মাঠের বাইরে। প্রথমার্ধে হাইড্রেশন ব্রেকের সময় খেলোয়াড়রা মাঠের ধারে আসেন। ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা যায়, সেই সময় ভিনিসিয়ুসকে ডেকে কিছু কথা বলেন নেইমার। পরে গিমারেসকে ডেকেও পরামর্শ দেন। সম্ভবত ভিনিকে আরেকটু ভেতরে ঢুকে খেলার কথা বলছিলেন। কারণ প্রথমার্ধের শুরুতে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা সেভাবে বক্সের মধ্যে ঢুকছিলেন না। আর ব্রাজিল সুপারস্টারের পরামর্শের পরই কী হল? গিমারেসের অ্যাসিস্ট, ভিনিসিয়ুসের গোল।
ম্যাচ শেষে নেইমার ইন্টারভিউ জোনে যাননি। কারণ তিনি দলে ছিলেন না। তবে ব্রাজিলের উদ্বেগ জাগানিয়া শুরুর পর লকার রুমে গিয়ে দলকে শান্ত রাখতে চেষ্টা করেছেন ব্রাজিলের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা।

