গত বছর ছেলেদের এশিয়া কাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। মেয়েরাও হাঁটছে সেই পথে। গতকাল সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, চ্যাম্পিয়ন হলে কি সূর্যকুমার যাদবদের মতো হারমানপ্রীত কৌররাও ট্রফি ছাড়া দেশে ফিরবে?
প্রায় এক বছর হতে চলল, পুরুষ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত এখনও ট্রফি হাতে পায়নি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানায় সূর্যকুমারের দল। জিও সুপার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দুবাইতে নারীদের এশিয়া কাপেও বিজয়ীর হাতে ট্রফি দেওয়ার জন্য মঞ্চে থাকবেন নাকভি। প্রশ্ন উঠেছে এবার ভারতের নারী দলও কি একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে?
এবার রেকর্ড অষ্টম শিরোপা হাতে নিতে চায় হারমানপ্রীত কৌররা। প্রতিপক্ষ কে হবে, তা জানতে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের দিকে তাকিয়ে তারা। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হলে কি আদৌ ট্রফি নেবে ভারতের মেয়েরা?
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ফাইনালে থাকবেন পিসিবি চেয়ারম্যান। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয়েছে তাকে। তাতে করে ২০২৫ এশিয়া কাপ ফাইনালের মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। অবশ্য বিসিসিআই কিংবা মেয়েদের দল কেউই ইঙ্গিত দেয়নি যে তারা নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে চায় না। ট্রফি বয়কটের ধারণা আপাতত গুজবের মধ্যেই আছে। তাছাড়া এসিসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে পিসিবি প্রধানের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে থাকা অস্বাভাবিক নয়। ২০২৫ সালে ছেলেদের দলের মতো মেয়েরাও একই দৃষ্টান্ত তৈরি করেন কি না তা বলা যাচ্ছে না। খেলোয়াড় কিংবা ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে সেই সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
গত বছর পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে জিতেছিল ভারত। ভারতীয় দলকে ট্রফি দেওয়ার জন্য পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে আধঘণ্টার মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন নাকভি। কিন্তু সূর্যকুমার ও তার সতীর্থরা উপস্থিত হননি। অন্য কোনো এসিসি কর্মকর্তার কাছ থেকে ট্রফি নিতে চেয়েছিল তারা।
এই পরিস্থিতিতে বিরক্ত হয়ে নাকভি মঞ্চ ছেড়ে চলে যান এবং ট্রফিও নেন নিজের হোটেল রুমে। অবশ্য ট্রফি ছাড়াই তারা পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে শিরোপা উদযাপন করেছিল।
ট্রফিটি এসিসির দুবাই অফিসে রাখা হয়েছে বলে খবর। এখন পর্যন্ত ভারতীয় দল সেটা হাতে পায়নি। বিসিসিআই বেশ কয়েকবার নাকভি ও কাউন্সিলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে এনিয়ে আলোচনা করেছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি।

