২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তার দাবি, বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণার পেছনে অর্থায়ন করেছে ব্রাজিল সরকার, মেক্সিকো সরকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড়কে ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জ–সংক্রান্ত একটি ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা যায়। পরে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের পর লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নিকোলাস ওতামেন্দি, নাহুয়েল মোলিনা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা প্রতিপক্ষের কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে বর্ণবাদ এবং লিওনেল মেসিদের পক্ষে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ব্যাপক সমালোচনা হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই মুখ খুলেছেন মিলেই, ‘এই আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণায় সবচেয়ে বেশি অর্থ ঢেলেছে কে? ব্রাজিল সরকার। মোট অর্থায়নের ২৫ শতাংশ এসেছে ব্রাজিল সরকারের কাছ থেকে। আর তারাই আবার আমাকে হস্তক্ষেপ নিয়ে উপদেশ দেয়!’
তবে নিজের এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি মিলেই। তার দাবি, ‘এই প্রচারণা মূলত মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা অর্থায়িত হয়েছে। কারা তারা? তারা হলো প্রগতিশীল নেতা, যারা স্বাধীনতার ধারণা সফল হোক তা চায় না।’
বিশ্বকাপ ফাইনালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো উপস্থিত থাকলেও সেখানে যাননি মিলেই। নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে না গিয়ে তিনি বুয়েনস আইরেসে নিজের সরকারি বাসভবন অলিভোস থেকেই ম্যাচ দেখেন। ফাইনালের আগে স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশনকে তিনি বলেছিলেন, ‘কোনোভাবেই না। আমি অলিভোস থেকেই সব ম্যাচ দেখা চালিয়ে যাব।’

