বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসরের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে। এবার ঐতিহ্যবাহী প্যারিসের বদলে ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে বসবে পুরস্কার বিতরণের জমকালো আসর। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান।
মূল অনুষ্ঠানের আগে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে সব ক্যাটাগরির শর্টলিস্ট। ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একই দিনে মনোনীতদের নাম প্রকাশ করা হবে।
এবারের পুরুষ ব্যালন ডি’অরের তালিকায় থাকবেন ৩০ জন ফুটবলার। নারী বিভাগেও থাকবেন ৩০ জন। পাশাপাশি তরুণ খেলোয়াড়, গোলকিপার, কোচ, স্ট্রাইকার ও ক্লাব অব দ্য ইয়ারসহ মোট ১২টি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হবে।
লন্ডনে এবারের আয়োজনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণও বটে। ২০১৯ সাল থেকে প্যারিসের থিয়েটার দ্য শাতেলেতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল ব্যালন ডি’অর। এবার ৭০তম আসর উপলক্ষে ভেন্যু পরিবর্তন করে লন্ডনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যালন ডি’অরের প্রথম বিজয়ী ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউসের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে এই আয়োজনের মাধ্যমে।
১৯৫৬ সালে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন স্ট্যানলি ম্যাথিউস। সেই সময়ের তুলনায় সাত দশক পরের আয়োজনটি হতে যাচ্ছে অনেক বড় পরিসরে, যেখানে বিশ্বের সেরা ফুটবলার, কোচ ও ক্লাবগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
শর্টলিস্ট প্রকাশের পর শুরু হবে চূড়ান্ত ভোটিং প্রক্রিয়া। আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত জুরি বোর্ড বিজয়ী নির্বাচন করবে। পুরুষ বিভাগের ক্ষেত্রে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০ দেশের একজন করে সাংবাদিক এবং নারী বিভাগের ক্ষেত্রে শীর্ষ ৫০ দেশের একজন করে সাংবাদিক ভোট দেবেন।
ভোটাররা শর্টলিস্ট থেকে নিজেদের পছন্দের সেরা ১০ জনকে বেছে নেবেন। প্রথম পছন্দের খেলোয়াড় পাবেন ১৫ পয়েন্ট এবং দশম পছন্দের খেলোয়াড় পাবেন ১ পয়েন্ট। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলের সাফল্য ও অর্জন এবং মাঠের ভেতর-বাইরের ক্রীড়াসুলভ আচরণ এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ভোট দেবেন সাংবাদিকরা।
সব ভোট গণনার পর সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া খেলোয়াড়ের হাতেই উঠবে ২০২৬ সালের কাঙ্ক্ষিত ব্যালন ডি’অর। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর শর্টলিস্ট প্রকাশের পর থেকেই শুরু হবে ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিগত পুরস্কার নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ।

