২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। তার আগে শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে তাদের বিখ্যাত স্টেডিয়াম অ্যাজটেকায় ৩-২ গোলে হারায় থ্রি লায়নরা। ওই জয়ের তাৎপর্য বোঝাতে গিয়ে কোচ থমাস টুখেল জানালেন, ওই দিন কেন যে অ্যাজটেকার ঘাস খাননি, সেটা নিয়ে আফসোস আছে তার।
মেক্সিকোর বিপক্ষে কঠিন বাধার দেয়াল টপকেই সেদিন জিতেছিল ইংল্যান্ড। অ্যাজটেকায় আগের ৮৯ ম্যাচে মাত্র দুটি হেরে সেদিন ইংলিশদের মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিকরা, যার শেষটি ছিল ২০১৩ সালে হন্ডুরাসের কাছে।
ওই হারের পর থেকে অ্যাজটেকায় মেক্সিকো ২২ ম্যাচ খেলে ১৬টি জয় ও ছয়টি ড্র করেছিল। তাছাড়া বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচ জয়, তাও আবার কোনো গোল না খেয়ে—সব মিলিয়ে মেক্সিকানরা ফর্মের তুঙ্গে ছিল। আর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৭২২০ ফুট উচ্চতার বাধা তো ছিলই।
এই ম্যাচে প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড জুড বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে এগিয়ে যায়। বিরতির আগে স্কোর ২-১ করেছিল মেক্সিকো। স্কোরের ব্যবধান একই রকম থাকতে ৫৪তম মিনিটে কুয়ানসাহ মার্চিং অর্ডার পেলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়েছিল ইংল্যান্ডকে। হ্যারি কেইন পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বস্তি এনে দেন। পরে রাউল হিমেনেজ গোল করলে পাঁচ গোলের থ্রিলার শেষ হয় টানটান উত্তেজনা নিয়ে।
ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জন্য সাবেক ইংল্যান্ড স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল স্টুরিজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ড কোচ বললেন, ‘ম্যাচের পর আমি আমার এক বন্ধুকে মোবাইলে বার্তা পাঠিয়েছিলাম। লিখেছিলাম, ‘আমার আফসোস হচ্ছে যে ম্যাচ শেষে কেন কিছু ঘাস খাইনি, এই স্মৃতিটা তাহলে আজীবনের জন্য আমার শরীরের মধ্যে থেকে যেত।’ অনুভূতিটা ছিল এমনই। মুহূর্তটা এমনই ছিল।’
বিশ্বকাপের পর চলতি মাসের শেষ দিকে আবার মাঠে ফিরছে ইংল্যান্ড। নেশনস লিগে তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হবে। এরপর তারা ক্রোয়েশিয়ায় যাবে এবং ঘরের মাঠে চেক রিপাবলিকের সঙ্গে খেলবে।

