আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য চিনির ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চিনির ওপর বিদ্যমান উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হতে পারে। এই প্রস্তাবটি অনুমোদিত ও বাস্তবায়িত হলে দেশের বাজারে চিনির দাম কমতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি কেজি খোলা ও প্যাকেটজাত চিনি ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতে চিনির দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল। তবে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং জ্বালানি সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম দফায় দফায় ওঠানামা করায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। যদিও পরিস্থিতি বিবেচনায় চিনি আমদানিসহ বিভিন্ন পর্যায়ে করছাড় দিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বাজার সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি চিনির দাম ছিল ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৪২০ টাকা। দীর্ঘদিন পর দাম কিছুটা কমে আসায় খুচরা বাজারেও স্বস্তি ফিরেছিল। তবে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং পরবর্তীতে দেশীয় বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের পর পাইকারি পর্যায়ে মণপ্রতি চিনির দাম একলাফে ২০০ থেকে ২০৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে বাজেটে উৎসে কর হ্রাসের এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে চিনির বাজারে আবারও স্বস্তি ফিরতে পারে।
করছাড় মিলছে আরও ৬০টি পণ্যে
সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে এবারের বাজেটে শুধু চিনিই নয়, চাল, ধান, গম ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ৬০টি পণ্যের ওপরও উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হতে পারে।

