আলামিন আসিফ :নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত গড়িয়েছে অষ্টম মাসে। হরমুজ প্রণালি ও লেবানন সংঘাতসহ নানা ইস্যুতে তৈরি হওয়া উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ হাজার মেরিন সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত পুরো কূটনৈতিক নিরাপত্তাকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি বলেন, সংঘাতের শেষ কোথায় তা এখনও অস্পষ্ট। সংঘাত থামানোর পথে প্রধান বাধা হিসেবে তিনি হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা এবং লেবানন যুদ্ধের মতো ইস্যুগুলোকে চিহ্নিত করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের বিষয়টিকে কূটনৈতিক প্রয়াসের ক্ষেত্রে বড় জটিলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অধ্যাপক এলমাসরির মতে, ‘আমাদের এখন চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নজর রাখতে হবে। তবে আশঙ্কা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনের পরপরই, যখন ট্রাম্পের রাজনৈতিকভাবে হারানোর কিছু থাকবে না, তখন তিনি সংঘাত আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ইরানও এবার হাত গুটিয়ে থাকবে না, বরং আরও কঠোর পাল্টা জবাব দিতে পারে।’
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানিভিত্তিক প্রচুর কৌশলগত স্থাপনা ছড়িয়ে রয়েছে। তার ওপর বাব আল-মানদাব প্রণালিতে সংঘাত চলাকালে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মতো আঞ্চলিক সহযোগীদের সক্রিয় সমর্থনে এবার মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিপরীতে বড় ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে তেহরান।
সূত্র: আল-জাজিরা।

